ছয় মাসের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনী প্রস্তাব জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে উপস্থাপনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আগামী বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পরিকল্পনা বিভাগ জানিয়েছে, এই বৈঠকে আরও আটটি উন্নয়ন প্রকল্পও উপস্থাপন করা হবে।
পরিকল্পনা কমিশনের তথ্যমতে, সংশোধিত প্রস্তাবে তিনটি নতুন সংযোগ যুক্ত করা হয়েছে—বাইপাইল ইন্টারচেঞ্জ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে প্রবেশ ও বহির্গমন সুবিধা এবং নির্মাণাধীন এমআরটি লাইন-১-এর সঙ্গে সংযোগ। এসব সংযোজনের ফলে রাজধানী ও আশপাশের সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে এক্সপ্রেসওয়ের কার্যকারিতা বাড়বে। প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়ে ২৬ হাজার ৫৮১ কোটি টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা মূল অনুমোদনের তুলনায় প্রায় ৫৫ শতাংশ বেশি। ব্যয় বৃদ্ধির কারণ হিসেবে মুদ্রার অবমূল্যায়ন, কর কাঠামোর পরিবর্তন, ইউটিলিটি স্থানান্তর ও অতিরিক্ত ভূমি অধিগ্রহণ উল্লেখ করা হয়েছে।
চীনের অর্থায়নে বাস্তবায়িত ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়ের সময়সীমা বাড়িয়ে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি ৬৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং ভৌত অগ্রগতি ৫৮ শতাংশের বেশি।
ছয় মাস পর একনেকে উঠছে ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের সংশোধনী প্রস্তাব
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।