বগুড়া শহরে অন্তত ১৫টি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে বলে গোয়েন্দা তথ্য বলছে। ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে জেলায় ৩৯টি হত্যাকাণ্ডের পর আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। গ্যাং-সংশ্লিষ্ট হত্যা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক কারবার, জমি দখল, হামলা ও ইভটিজিং ঠেকাতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ অভিযান, নজরদারি এবং কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার করছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ বছরে বগুড়ায় ৫৩০টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে অন্তত ১০০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। ৪০ থেকে ৫০ জন চিহ্নিত ব্যক্তি এসব গ্যাংয়ের নেতৃত্বে রয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাবশালী ও অপরাধচক্রের পৃষ্ঠপোষকতায় গ্যাংগুলোর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
আগস্টে শাজাহানপুরের শাবরুল এলাকায় জালাল গ্রুপের ১১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী; উদ্ধার করা হয় অস্ত্র, ইয়াবা ও মোবাইল ফোন। গ্রেপ্তারদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠের বয়স ১৪ বছর। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাইয়ান আলম বলেন, গ্যাংয়ের পৃষ্ঠপোষক সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের তালিকা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কিশোর গ্যাং দমনে বগুড়ায় অভিযান, নজরদারি ও কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।