ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের মধ্যে ইরান ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা চাপে রয়েছে। অর্থনৈতিক সংকটে নতুন বিক্ষোভের আশঙ্কা বাড়ছে, আর সীমান্তে কুর্দি ও বালুচ সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা তেহরানের উদ্বেগ গভীর করছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ ছোট সশস্ত্র সেল ও সীমান্তবর্তী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রোববার জানায়, ফার্স প্রদেশে ‘বিপ্লববিরোধী’ ও রাজতন্ত্রপন্থি গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আইআরজিসির অভিযোগ, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানুয়ারির দেশব্যাপী বিক্ষোভে মলোটভ ককটেল ব্যবহার ও টায়ার পুড়িয়ে সহিংসতা চালিয়েছিলেন। ১৮ মার্চ গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় ২৬ প্রদেশে কথিত ১১১টি রাজতন্ত্রপন্থি সেল গ্রেপ্তারের কথা জানায়। তেহরান জানুয়ারির বিক্ষোভকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সশস্ত্র এজেন্টদের পরিচালিত অভ্যুত্থানচেষ্টা হিসেবে দেখছে। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর ‘নিষ্ঠুরতার’ নিন্দা জানিয়েছে।
পশ্চিম সীমান্তের কুর্দি যোদ্ধা এবং দক্ষিণ-পূর্বের বালুচ বিদ্রোহীরা ইরানের বড় উদ্বেগ। আগস্টের শেষ দিকে জইশ আল-আদলের একটি সেল ভেঙে দেওয়া, একজন নিহত ও ছয়জন গ্রেপ্তারের কথা জানায় নিরাপত্তা বাহিনী। বিশ্লেষকদের মতে, জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি বাইরের সহায়তা বাড়লে ইরানের নিরাপত্তা সংকট আরও তীব্র হতে পারে।
যুদ্ধের মধ্যে বিক্ষোভের আশঙ্কা ও সীমান্তের সশস্ত্র তৎপরতায় ইরানের নিরাপত্তা চাপ বাড়ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।