সূত্রভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানায় যে গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান চলাকালে ভারত ইসরাইলে কয়েক লাখ অস্ত্রের যন্ত্রাংশ ও গোলাবারুদের উপাদান পাঠিয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে, এই রপ্তানি ইসরাইলের চলমান ‘গণহত্যায়’ অবদান রাখার উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি তৈরি করছে। একই প্রতিবেদনে বলা হয়, পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের সংসদমুখী মিছিল নিয়ন্ত্রণে দিল্লি পুলিশ পেলেট গান ব্যবহার করে; অন্তত ১০ বেসামরিক মানুষ আহত হন এবং এক তরুণের স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।
ভারত ২০১০ সালে কাশ্মীরে জনতা নিয়ন্ত্রণে পেলেট গান ব্যবহার শুরু করে, যাকে প্রাণঘাতী নয় বা কম প্রাণঘাতী অস্ত্র হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল। প্রতিবেদনের তথ্যমতে, ২০১০ থেকে ২০১৯ সালে এতে ২৪ জন নিহত হন। ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধাতব পেলেটে ১৮ জন নিহত, ১৩৯ জন অন্ধ এবং ২ হাজার ৯৪২ জন আহত হন; ১ হাজার ৪৫৯ জনের চোখে গুরুতর আঘাত লাগে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেলেট গান ভারতের কৃষক আন্দোলন ও মণিপুরেও ব্যবহৃত হয়েছে। কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধীরা এ অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ ও কারণ জানতে চাইলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংসদে জবাব দেননি। লেখাটি চিলি, বাংলাদেশ ও ইরানসহ বিভিন্ন দেশে অনুরূপ অস্ত্র ব্যবহারের উদাহরণ দিয়ে জবাবদিহির অভাবে এই কৌশল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তুলে ধরেছে।
অস্ত্র রপ্তানি ও বেসামরিকদের বিরুদ্ধে পেলেট গান ব্যবহারে উদ্বেগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।