Web Analytics

একটি মতামতধর্মী নিবন্ধে ১৯৪৬ সালের ১০ অক্টোবর তৎকালীন পূর্ববঙ্গের নোয়াখালীজুড়ে শুরু হওয়া সাম্প্রদায়িক সংঘাতকে ১৯৪৭ সালের ব্রিটিশ ভারত বিভাজনের পথে একটি নির্ণায়ক ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। নিবন্ধটির ভাষ্য অনুযায়ী, ‘নোয়াখালী দাঙ্গা’ নামে পরিচিত এই সংঘাত অখণ্ড ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের দাবি ও পৃথক মুসলিম রাষ্ট্রের দাবির মধ্যকার রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের প্রেক্ষাপটে ঘটে। এতে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ভারতের ভাগ্যযুদ্ধ পূর্ববঙ্গে নির্ধারিত হচ্ছিল।

নিবন্ধে আগস্ট ১৯৪৬-এর কলকাতার সহিংসতা, বিহারে মুসলমান হত্যাকাণ্ড এবং সেখান থেকে শরণার্থীদের নোয়াখালীতে আসাকে উত্তেজনার পটভূমি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রামগঞ্জে লক্ষ্মীপূজাকে ঘিরে গুজব, জমিদার ও হিন্দু মহাসভা নেতা রাজেন্দ্রলাল রায়চৌধুরীর অবস্থান এবং মুসলিম শরণার্থীদের উচ্ছেদের সশস্ত্র প্রস্তুতি সংঘাত বাড়ায় বলে এতে দাবি করা হয়। পীরজাদা গোলাম সারোয়ার হুসেইনী ও মুসলিম লীগ নেতা কাশেমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাহিনী রায়চৌধুরীর বাড়ি অবরুদ্ধ করে; দীর্ঘ লড়াইয়ের পর তিনি নিহত হন বলে নিবন্ধে বলা হয়েছে।

নিবন্ধ অনুযায়ী, জওহরলাল নেহরু সহিংসতাকে অখণ্ড ভারতের লক্ষ্য অর্জনের জন্য গুরুতর হুমকি হিসেবে দেখেন, আর মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ একে একক কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে সহাবস্থানের অসম্ভবতার প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেন। গান্ধী ৬ নভেম্বর চার মাসের শান্তি মিশনে নোয়াখালীতে আসেন এবং গ্রামে গ্রামে হেঁটে সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন।

11 Oct 26 1NOJOR.COM

নিবন্ধে ১৯৪৬ সালের নোয়াখালী সংঘাতকে দেশভাগের গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।