পাকিস্তানের সঙ্গে বড় বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বাংলাদেশ দেশটির বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়ানোর জন্য চাপ দেবে। এ লক্ষ্যে শুল্ক ও শুল্কবহির্ভূত বাণিজ্য বাধা দূর করার প্রস্তাব দেওয়া হবে। আগামী ১ ও ২ ডিসেম্বর ইসলামাবাদে বাংলাদেশ-পাকিস্তান বাণিজ্যবিষয়ক যৌথ কর্মদলের প্রথম বৈঠকে বিষয়গুলো আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। ওষুধ ও খাদ্যপণ্যের বাজার প্রবেশাধিকার, পণ্যের মান, শুল্কায়ন এবং কাস্টমস প্রক্রিয়া সহজ করার ওপর ঢাকার বিশেষ গুরুত্ব থাকবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, পণ্যের মান, কারিগরি বিধিবিধান এবং স্বাস্থ্য ও উদ্ভিদ স্বাস্থ্যসংক্রান্ত শর্ত নিয়ে জটিলতা ওষুধ ও খাদ্যপণ্য রপ্তানিতে বাধা সৃষ্টি করছে। এসব জটিলতা দূর হলে পাকিস্তানে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়তে পারে। বৈঠকে রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করার উপায়ও আলোচিত হবে। পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ তুলা, বস্ত্রের কাঁচামাল, রাসায়নিক পণ্য, সিমেন্ট ক্লিংকার ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানি করে।
২০২৩ সালে পাকিস্তান বাংলাদেশে প্রায় ৬৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করে, বিপরীতে বাংলাদেশ রপ্তানি করে ৬ কোটি ডলারের কিছু বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাকিস্তানের রপ্তানি ছিল ৭১ কোটি ৫৬ লাখ ডলার এবং বাংলাদেশ থেকে আমদানি ৬ কোটি ৭২ লাখ ডলার। পাকিস্তান টিসিবি ও টিসিপির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের আগ্রহও জানিয়েছে।
বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে পাকিস্তানে বাজার প্রবেশাধিকার ও বাধা অপসারণ চাইবে বাংলাদেশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।