ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযানের পর বিশ্ব অর্থনীতি এক নতুন বাস্তবতায় প্রবেশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক কাঠামোগত সমঝোতা যুদ্ধের অবসানের সম্ভাবনা তৈরি করলেও বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের আগের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামোতে সহজে ফেরা সম্ভব নয়। এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, বাণিজ্যিক সরবরাহব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ভারসাম্যে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলেছে।
যুদ্ধের সময় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল ও গ্যাস সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানির দাম বেড়ে যায় এবং দেশগুলো বিকল্প উৎস খুঁজতে বাধ্য হয়। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া স্বল্পমেয়াদে কয়লার ব্যবহার বাড়ালেও বিশ্ব এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পারমাণবিক শক্তির দিকে ঝুঁকছে। রাশিয়া সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন করছে, আর চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তিতে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হিসেবে উঠে এসেছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, যুদ্ধ শেষ হলেও হরমুজ প্রণালির অনিশ্চয়তা ও উপসাগরীয় অবকাঠামোর ক্ষতি পরিবহন ব্যয় বাড়াবে। বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে ধীর প্রবৃদ্ধি ও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ইরান যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে জ্বালানি ও বাণিজ্যে স্থায়ী পরিবর্তন আনছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।