২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে ঢাকার শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এখনো বিতর্কিত ও বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। তৎকালীন সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা সংসদে একে মৃত্যুহীন ঘটনা হিসেবে দাবি করলেও মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও অধিকার তাদের প্রতিবেদনে প্রাণহানির কথা উল্লেখ করে তদন্তের দাবি জানায়। নির্ভরযোগ্য নিহতের সংখ্যা আজও অনিশ্চিত, যা তথ্যনিয়ন্ত্রণ ও বিচারহীনতার সংস্কৃতির প্রতিফলন বলে বিশ্লেষণে বলা হয়েছে।
২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে এবং কিছু নিহতের প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে। হেফাজতে ইসলাম শেখ হাসিনাসহ ৫৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়। বিশ্লেষকদের মতে, অতীতের রাজনৈতিক অনৈক্য ও আপসকামিতা ন্যায়বিচারের পথে বাধা সৃষ্টি করেছিল। লেখক মনে করেন, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তই প্রতিষ্ঠানগত আস্থা পুনর্গঠনের পথ খুলে দিতে পারে।
প্রবন্ধে বলা হয়, শাপলা চত্বরের সেই রাত রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও নাগরিক অধিকারের ভারসাম্য নিয়ে মৌলিক প্রশ্ন তোলে এবং জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানায়।
শাপলা চত্বর ঘটনার নতুন তদন্তে ন্যায়বিচারের দাবিতে আবার সরব বাংলাদেশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।