মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর আরও কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের হুমকি দিয়েছেন এবং এটিকে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ২৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে আগে থেকেই ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা থাকলেও নতুন পদক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে ইরানি অপরিশোধিত তেল কেনা চীনের স্বাধীন শোধনাগারগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা, ইরানের লেনদেন প্রক্রিয়াজাতকারী বড় চীনা ব্যাংককে লক্ষ্য করা, স্থলপথে ইরানে পণ্য প্রবেশে বাধা দেওয়া এবং ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ। ইরানি তেল কেনার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে চীনের একটি ‘টিপট’ শোধনাগারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
দুটি বড় চীনা ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চীনের আর্থিক ব্যবস্থায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে এবং পাল্টা পদক্ষেপের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। স্থল অবরোধ কার্যকর করতে ইরানের সাত প্রতিবেশী দেশের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে, যা কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে। ইরান-ব্যবসায়ী দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের উদ্যোগ কংগ্রেস ও আদালতে আইনি বাধার মুখে পড়তে পারে।
ইরানের ওপর নতুন চাপের বিকল্প ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র, তবে ঝুঁকিও বড়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।