যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ই আঞ্চলিক সংঘাত নিরসনে পাকিস্তানকে সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বিশ্বাসের ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরব দেশগুলোর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে ইরান তাদের আর বিশ্বাস করে না, তবে পাকিস্তানের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে ‘প্রিয় ভাই’ বলে উল্লেখ করেছেন, যা তেহরানের আস্থার প্রতিফলন। ফিলিস্তিন ইস্যুতে পাকিস্তানের ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকাও এই বিশ্বাসের আরেকটি কারণ।
অন্যদিকে, গত বছরের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক উন্নত হয়েছে। ইসলামাবাদ ট্রাম্পের শান্তি বোর্ডে যোগ দিয়েছে, যার লক্ষ্য গাজায় শান্তি নিশ্চিত করা। ট্রাম্প সেনাপ্রধান মুনিরকে তার ‘প্রিয় ফিল্ড মার্শাল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। মুনিরের যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ পাকিস্তানকে আলোচনায় বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে।
এছাড়া, উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে পাকিস্তানের সুসম্পর্ক দেশটিকে আঞ্চলিক সংঘাত প্রশমনে একটি সেতুবন্ধন হিসেবে ভূমিকা রাখার সুযোগ করে দিচ্ছে।
আঞ্চলিক মধ্যস্থতায় পাকিস্তানের ভূমিকার প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আস্থা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।