ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) বাস্তবায়নের পর বাংলাদেশের মোবাইল ফোন বাজারে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এনইআইআর চালুর পরপরই মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমআইওবি) ব্র্যান্ডের মোবাইলের দাম বাড়ায় এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা হিসেবে বিটিআরসিকে ৪৬ কোটি টাকা অনুদান দেয়। অন্যদিকে গ্রে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন, কারণ এতে তাদের বিপুল পরিমাণ ফোন বিক্রির অযোগ্য হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন। টানা ২০ দিন দোকান বন্ধ রাখার পর তারা পুনরায় দোকান খুললেও অফিসিয়াল স্মার্টফোন বিক্রি স্থগিত রেখেছেন এবং ১৫ মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষার ঘোষণা দিয়েছেন।
শিল্প সূত্রে জানা গেছে, মোবাইলের দাম বৃদ্ধির মূল কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে মেমোরি চিপের মূল্য ২০২৫ সাল থেকে প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাওয়া। নতুন প্রজন্মের অন-ডিভাইস এআই ফিচারযুক্ত স্মার্টফোনে বেশি র্যাম ও শক্তিশালী প্রসেসরের প্রয়োজন হওয়ায় উৎপাদন ব্যয় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এর ফলে বাংলাদেশে স্মার্টফোনের খুচরা দাম গড়ে ১০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিটিআরসি জানিয়েছে, সরকারের বাজেট না থাকায় রাষ্ট্রের স্বার্থে এমআইওবি’র অনুদান গ্রহণ করা হয়েছে।
এনইআইআর বাস্তবায়ন ও চিপ সংকটে মোবাইলের দাম ১০–২৫% পর্যন্ত বেড়েছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।