জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্কে গিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তেহরানের অবস্থান তুলে ধরেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরায় চালুর চেষ্টা করেন। আরাগচি দুই ডজনের বেশি কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁদের মধ্যে ১০টির বেশি ইউরোপীয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা প্রতিনিধি এবং জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদিও ছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে তাঁর সরাসরি বৈঠকটি ছিল তিন মাস ধরে অচল আলোচনা পুনরায় শুরু করার উদ্যোগ।
আরাগচি জানান, ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ইরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক অবরোধ শিথিল করলে তেহরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে এগোবে। এতে চূড়ান্ত সমঝোতার পথে আলোচনা শুরু হতে পারে। জাতিসংঘে পেজেশকিয়ান বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান কখনো মাথা নত করবে না।
ইরানের কট্টরপন্থী আইনপ্রণেতারা উইটকফের সঙ্গে আরাগচির বৈঠকের সমালোচনা করেন। আইনপ্রণেতা ইব্রাহিম রেজাই এক্সে প্রশ্ন তোলেন, শত্রুপক্ষের প্রতিনিধির সঙ্গে এ বৈঠক কোন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে হয়েছে। তবু ইরানি কর্মকর্তারা সফরটিকে প্রতিপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা, বিশ্বে টিকে থাকার বার্তা দেওয়া এবং আমেরিকান জনগণের কাছে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ হিসেবে দেখেছেন।
জাতিসংঘে নতুন প্রস্তাবের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরুর চেষ্টা ইরানের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।