জুলাই বিপ্লবের অংশগ্রহণকারী তানজিলা আক্তার তানু নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানান, অন্যায় ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তিনি ছয়টি গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। ৪ আগস্ট যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকায় নারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তিনি মিছিলে ছিলেন, তখন পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় এক অচেনা ব্যক্তি তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সাংবাদিক আমানুর রহমানের সঙ্গে আলাপে তিনি বলেন, এই ঘটনার মধ্য দিয়ে নারীদের সাহসিকতা ও ত্যাগের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
তানু জানান, ১৬ জুলাই রংপুরে আবু সাঈদের বুক চিতিয়ে দাঁড়ানোর দৃশ্যই তাকে আন্দোলনে নামতে অনুপ্রাণিত করে। মীর মুগ্ধ, ফারহান ফাইয়াজ ও ইয়ামিনের মতো তরুণদের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হওয়ার ঘটনাও তাকে তাড়িত করে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর দীর্ঘ চিকিৎসা ও আর্থিক সংকটে পড়লেও তিনি মনে করেন, এই বিপ্লব মানুষের মনে দীর্ঘদিনের ভয় দূর করেছে।
তানু বলেন, রাষ্ট্রকে আহত ও নিহতদের পরিবারের পুনর্বাসন ও চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে হবে। নতুন প্রজন্মের প্রতি তার আহ্বান—একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক আগামী দিনের অঙ্গীকার।
গুলিবিদ্ধ তানজিলা তানুর স্মৃতিচারণ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশের আহ্বান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।