দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি বা এফএসআরইউ টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে আবার গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোররাত ৩টা ১০ মিনিট থেকে টার্মিনালটি দৈনিক ১১ কোটি ৫০ লাখ, অর্থাৎ ১১৫ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস দিচ্ছে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা। এতে আমদানি করা এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ ৬৬ কোটি ঘনফুটে পৌঁছেছে।
আরপিজিসিএলের কর্মকর্তারা জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে টার্মিনালের একটি ইউনিট চালু করে প্রাথমিকভাবে সীমিত পরিসরে সরবরাহ শুরু করা হয়েছে। কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করা হচ্ছে এবং চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে আরও বেশি সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পর্যাপ্ত এলএনজি কার্গো পাওয়া গেলে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ আরও বাড়তে পারে।
গত ২১ জুলাই টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে এর কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এতে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হয় এবং আমদানি করা এলএনজির সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে যায়। আবাসিক গ্রাহক, শিল্প উদ্যোক্তা ও সিএনজি ব্যবহারকারীরা ভোগান্তিতে পড়েন; গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি কমে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিংও বেড়ে যায়।
দুই সপ্তাহ বন্ধের পর মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল সীমিতভাবে গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।