কেনিয়ায় ইবোলায় প্রথম এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র থেকে উগান্ডা হয়ে নাইরোবিতে পৌঁছান। কেনিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী আদেন দুয়ালে জানান, ব্যক্তি প্রায় এক মাস আগে ডিআরসিতে অসুস্থ হন, ২ অক্টোবর বেনি হয়ে সড়কপথে কামপালায় যান এবং পরদিন বিমানে নাইরোবি পৌঁছান। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে দ্রুত আলাদা করা হয়, পরীক্ষায় ইবোলা শনাক্ত হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার তিনি মারা যান। মঙ্গলবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে তার দাফন করা হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, কেনিয়া ঝুঁকিপূর্ণ প্রবেশপথে আরো লক্ষ্যভিত্তিক পরীক্ষা, রোগ নজরদারি এবং সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের পর্যবেক্ষণ জোরদার করছে। কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত ২৮ জন সংস্পর্শকারীকে শনাক্ত করেছে। তার বিমানের ২৩ যাত্রী ও চার কর্মীকেও নজরদারিতে রাখা হয়েছে। উগান্ডা জানিয়েছে, এনতেব্বে বিমানবন্দরে পরীক্ষার সময় তার তাপমাত্রা স্বাভাবিক ছিল। কেনিয়ার কর্মকর্তাদের ধারণা, নাইরোবিতে তিনি উপসর্গ আড়াল করতে ওষুধ খেয়ে থাকতে পারেন; বিষয়টি তদন্তাধীন।
এ প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী বান্দিবুগিও ইবোলা ভাইরাস, যার কোনো টিকা নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। চলতি বছরে ডিআরসিতে ৮ হাজার ৩০০ সংক্রমণ ও অন্তত ৪ হাজার ১৪৮ মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, শুধু সীমান্ত পরীক্ষা যথেষ্ট নয়; দ্রুত শনাক্ত, বিচ্ছিন্নকরণ, চিকিৎসা ও সংস্পর্শকারী শনাক্তের পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতা জরুরি।
ডিআরসি থেকে উগান্ডা হয়ে আসা রোগীর মৃত্যুর পর কেনিয়ায় প্রথম ইবোলা শনাক্ত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।