জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রশান্ত মহাসাগরে সক্রিয় এল নিনোর প্রভাবে বাংলাদেশে চলতি বর্ষা মৌসুমের স্বাভাবিকতা ব্যাহত হয়েছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা ও আঞ্চলিক ফোরামের তথ্যমতে, এবার বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের চেয়ে কম এবং তাপমাত্রা বেশি থাকবে। জুন মাসে গড়ে ৪৫৯ মিলিমিটার বৃষ্টির পরিবর্তে ৪৭ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে, যা এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। আবহাওয়াবিদেরা জানিয়েছেন, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সময়মতো এলেও তা সারা দেশে সক্রিয় হতে পারেনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টির ঘাটতি ও তাপপ্রবাহ কৃষি, অর্থনীতি ও জনস্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। দক্ষিণ এশীয় জলবায়ু ফোরাম সতর্ক করেছে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়া ও জলাধারে পানির ঘাটতি দেখা দিতে পারে, যা সেচ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও দৈনন্দিন পানি সরবরাহে সমস্যা সৃষ্টি করবে। চিকিৎসকেরা অতিরিক্ত গরমে হিটস্ট্রোক ও পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধির কথা জানিয়েছেন।
জলবায়ু বিজ্ঞানীরা খরা-সহিষ্ণু ফসল, বিকল্প সেচব্যবস্থা ও তাপপ্রবাহে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন। পরিবেশবিদরা দ্রুত সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, জলবায়ু-সম্পর্কিত স্বাস্থ্য বাজেট কমে যাওয়ায় ঝুঁকি বাড়ছে, তাই বাজেটে স্বাস্থ্য অভিযোজন অগ্রাধিকার অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।
এল নিনোতে বর্ষায় কম বৃষ্টি ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বাংলাদেশে ঝুঁকি বাড়ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।