জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের পর ৫ ও ৬ আগস্ট ক্যাম্পাসে কড়া নিরাপত্তা থাকবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ৪ আগস্ট রাতে জরুরি বৈঠক শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্ত জানান। ৫ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং একই ব্যবস্থা ৬ আগস্টও বহাল থাকবে।
প্রশাসন জানিয়েছে, সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসায় কোনো বৈষম্য করা হবে না। ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদল আহতদের দেখে এসেছে। উপাচার্য বলেন, সংগঠন নির্বিশেষে আহতদের দ্রুত চিকিৎসায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং দ্রুত প্রতিবেদন দিতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সকালে কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬-এর আলোচনা চলাকালে কয়েকটি সংগঠনের প্রতিনিধিরা প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করলে বাধার মুখে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নিয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। আহতদের জাতীয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানে আবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তদন্তে দায়ীদের চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।
ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের পর ৫ ও ৬ আগস্ট জবিতে কড়া নিরাপত্তা ও তদন্তের ঘোষণা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।