২২ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গাজায় হামাস সামরিক, সাংগঠনিক ও প্রশাসনিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়লেও সংগঠনটি বিলুপ্ত হয়ে যায়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ইসরাইলের সঙ্গে অস্ত্রবিরতি চুক্তির পর হামাস প্রকাশ্য প্রশাসনিক দায়িত্ব হস্তান্তর করেছে এবং সরকারি কমিটিগুলো বিলুপ্ত করেছে। অস্ত্র সমর্পণ নিয়ে আলোচনা চললেও সংগঠনটির ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পর ইসরাইলের সামরিক অভিযানে হামাসের বহু জ্যেষ্ঠ নেতা, সামরিক কমান্ডার ও শত শত যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। গাজার ব্যাপক ধ্বংসের মধ্যে সংগঠনটির শাসনক্ষমতা কমেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, আংশিক সামরিক পরাজয় বা প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ হারানো কোনো রাজনৈতিক আন্দোলনের সমাপ্তি বোঝায় না।
বন্দিবিনিময়, যুদ্ধবিরতি, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও যুদ্ধ-পরবর্তী ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনায় হামাস এখনো প্রাসঙ্গিক বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। গাজায় হামাসবিরোধী ক্ষোভ ও সমালোচনার কথাও এতে রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, হামাস রূপান্তরের পর্যায়ে রয়েছে এবং গাজায় ইসরাইলি সেনা থাকা পর্যন্ত তারা অস্ত্র সমর্পণ করবে না।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, হামাস দুর্বল হলেও গাজার ভবিষ্যৎ সমীকরণে এখনো প্রাসঙ্গিক
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।