লেবাননের সঙ্গে নতুন কাঠামোগত চুক্তিকে বড় ধরনের কূটনৈতিক ও সামরিক সাফল্য হিসেবে দেখছে ইসরাইল। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার সরকারের শীর্ষ নেতারা এই চুক্তিকে ‘বিজয়’ হিসেবে উদযাপন করছেন। ইসরাইলি সরকারের দাবি, এই চুক্তির মাধ্যমে তারা তাদের দীর্ঘদিনের প্রধান দাবিগুলো আদায় করতে পেরেছে, যার মধ্যে রয়েছে লেবাননের তথাকথিত নিরাপত্তা অঞ্চল থেকে তাৎক্ষণিক সেনা প্রত্যাহারের বাধ্যবাধকতা না থাকা, প্রয়োজনে সেখানে সামরিক অভিযান পরিচালনার স্বাধীনতা এবং নির্দিষ্ট সময়সীমা ছাড়া ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহারের সুযোগ।
সরকারি সূত্র জানায়, এসব শর্ত ইসরাইলের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় নেতানিয়াহুসহ সরকারের নেতারা চুক্তি নিয়ে সন্তুষ্ট। ইসরাইলের বিরোধী দলগুলো এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি, যদিও বিশ্লেষকদের মতে, এটিকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা তাদের জন্য কঠিন হবে।
ইসরাইলি দৃষ্টিভঙ্গিতে চুক্তিটি লেবানন সরকার ও হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। ইসরাইল মনে করে, লেবানন যদি নিজেই হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়, তবে ইসরাইল সরাসরি সংঘাতে জড়াতে হবে না, যা তাদের জন্য কৌশলগতভাবে লাভজনক।
লেবাননের সঙ্গে নতুন চুক্তিকে বড় কূটনৈতিক ও সামরিক সাফল্য বলছে ইসরাইল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।