Web Analytics

ইসরাইল প্রতিষ্ঠার আগে জায়নবাদী নেতা ও অন্যান্য ইহুদি ব্যক্তিত্ব ফিলিস্তিনের বাইরে ইহুদি বসতি, আশ্রয় বা জাতীয় আবাসভূমির জন্য কয়েকটি অঞ্চল বিবেচনা করেছিলেন। আলোচিত স্থানগুলোর মধ্যে ছিল আর্জেন্টিনা, সাইপ্রাস, মিসরের সিনাই উপদ্বীপ, ব্রিটিশ পূর্ব আফ্রিকা ও যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক। টিআরটি ওয়ার্ল্ডের একটি ভিডিও সিরিজ এসব উদ্যোগের কিছু তুলে ধরেছে; তবে এগুলোর উদ্দেশ্য এক ছিল না—কোনোটি কৃষিভিত্তিক পুনর্বাসন, কোনোটি স্বায়ত্তশাসিত ভূখণ্ডের প্রস্তাব, আবার কোনোটি নিরাপদ আশ্রয়ের উদ্যোগ ছিল।

থিওডর হার্জেল ১৮৯৬ সালের ডার ইয়ুদেনস্টাট গ্রন্থে ফিলিস্তিন ও আর্জেন্টিনার কথা উল্লেখ করেন। কিন্তু ১৮৯৭ সালে বাসেলে প্রথম জায়নবাদী কংগ্রেস ফিলিস্তিনে জাতীয় আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নির্ধারণ করে। ১৯০৩ সালে ব্রিটিশদের পূর্ব আফ্রিকা প্রস্তাব, যা উগান্ডা পরিকল্পনা নামে পরিচিত হলেও মূলত বর্তমান কেনিয়ার অংশে ছিল, তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করে এবং ১৯০৫ সালের সপ্তম কংগ্রেসে প্রত্যাখ্যাত হয়। সিনাই ও সাইপ্রাসের পরিকল্পনাও প্রয়োজনীয় সমর্থন পায়নি।

১৮২৫ সালে মর্ডেকাই ম্যানুয়েল নোয়াহ নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড আইল্যান্ডে নিপীড়িত ইহুদিদের আশ্রয়ের জন্য আরারাত প্রকল্প প্রস্তাব করেন, কিন্তু তা রাজনৈতিক সমর্থন ও জনবসতি পায়নি। মূলধারার জায়নবাদী আন্দোলন শেষ পর্যন্ত ফিলিস্তিনকেন্দ্রিক হয়। ১৯১৭ সালের বেলফোর ঘোষণায় ব্রিটেন সেখানে ইহুদিদের জাতীয় আবাসভূমির সমর্থন জানায়; ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরাইল প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়া হয়, আর যুদ্ধের সময় বহু ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হন।

27 Oct 26 1NOJOR.COM

ফিলিস্তিনকেন্দ্রিক হওয়ার আগে বিকল্প ইহুদি আবাসভূমির নানা পরিকল্পনা আলোচিত হয়েছিল

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।