বাংলাদেশের সরকারি প্রশাসনে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে একটি মতামতধর্মী নিবন্ধে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর বক্তব্য আলোচিত হয়েছে। ভোলার তজুমদ্দিনের এক অনুষ্ঠানে স্পিকার সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে ঘুস ও লুটপাটের অভিযোগ তোলেন। গত ১৫ সেপ্টেম্বর লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মিন্টু সরকারি চাকরিজীবীদের কাজ ও চুরির প্রসঙ্গ তোলেন।
নিবন্ধটি সতর্ক করেছে যে অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা দুর্নীতিবাজ—এমন কোনো সর্বজনীন সত্য প্রতিষ্ঠিত নয়; অনেক কর্মকর্তা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। তবে ঘুস, সরকারি ক্রয়ে কারসাজি, প্রকল্প ব্যয় বাড়ানো, নিয়োগে অনিয়ম, সম্পদ আত্মসাৎ ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ নাগরিক আস্থা ক্ষয় করে। জটিল নিয়ম, অস্পষ্ট সময়সীমা ও ফি, এক কর্মকর্তার হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকা এবং সেবাপ্রক্রিয়ার অস্বচ্ছতাকে অনিয়মের সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিবন্ধে সরকারি সেবার সময়সীমা ও ফি প্রকাশ, সেবা ডিজিটাল ও নগদবিহীন করা, ক্রয় ও প্রকল্পের তথ্য উন্মুক্ত রাখা এবং সম্পদ বিবরণী কার্যকরভাবে যাচাইয়ের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত তদন্ত, তথ্যদাতা ও সৎ কর্মকর্তাদের সুরক্ষা, দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং দুর্নীতির মামলায় তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা কমানোর কথা বলা হয়েছে।
দুর্নীতি কমাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সৎ কর্মকর্তাদের সুরক্ষার আহ্বান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।