সিরাজগঞ্জে স্তূপকৃত বালু অপসারণের নামে প্রকাশ্য দিবালোকে কৃষকের ফসলি জমি ও বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কামারখন্দ ও উল্লাপাড়া উপজেলার ঝাটিবেলাই, আলোকদিয়া ও বড়হর এলাকায় ড্রেজার দিয়ে ৫০ থেকে ৭০ ফুট গভীর করে মাটি ও বালু তোলা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এতে ফসলের মাঠ গভীর জলরাশিতে পরিণত হচ্ছে এবং বসতভিটা ও জনবসতি নদীভাঙনের বাড়তি ঝুঁকিতে পড়ছে।
বাংলী-করতোয়া-ফুলজোর-হুরাসাগর নদী সিস্টেম ড্রেজিং ও তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় ২০২১ সাল থেকে উত্তোলিত বালু নদীপাড়ের ব্যক্তিমালিকানাধীন ও খাস জমিতে রাখা হয়েছিল। নিলামের শর্ত অনুযায়ী ভূমির শ্রেণি পরিবর্তন না করে ট্রাকে রাষ্ট্রীয় বালু সরানোর কথা ছিল। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি চক্র নতুন করে ড্রেজিং করছে এবং অবৈধ বালু ভলগেট ও বাল্কহেডে ফুলজোর নদী দিয়ে পরিবহন করছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, মেয়াদ শেষ হওয়া ও নিয়মভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তিনটি স্থানের বালু অপসারণের নিলাম সম্পূর্ণ অকার্যকর ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, সেখানে নতুন করে বালু অপসারণের কোনো আইনি সুযোগ নেই। তিনি জানান, অবৈধ উত্তোলনের খবর পেলে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় অভিযান এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জে অবৈধ খননে ফসলি জমি নষ্ট ও নদীভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।