প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও বিতর্কিত প্রার্থী বাছাইয়ের কারণে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে রিপাবলিকান পার্টি। প্রতিবেদনে টেক্সাসকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে সিনেটর জন কর্নিনের বদলে অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটনকে সমর্থন দিয়েছেন ট্রাম্প। সাম্প্রতিক কয়েকটি জনমত জরিপে প্যাক্সটনকে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস টালারিকোর চেয়ে পিছিয়ে দেখা গেছে।
নর্থ ক্যারোলাইনা ও জর্জিয়াতেও রিপাবলিকানদের উদ্বেগ রয়েছে। ট্রাম্পের সমালোচনার পর রিপাবলিকান সিনেটর থম টিলিস অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা সাবেক ডেমোক্র্যাট গভর্নর রয় কুপারের প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ তৈরি করেছে। জর্জিয়ায় ট্রাম্প-সমর্থিত প্রার্থী মাইক কলিন্সের বিরুদ্ধে শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ দলটির ওপর চাপ বাড়িয়েছে। সাউথ ক্যারোলাইনায় সিনেটর ডারলিন গ্রাহামকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্তেও দলের ভেতরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
সাউথ ক্যারোলাইনায় জয় নিয়ে বড় আশঙ্কা না থাকলেও আসনটি ধরে রাখতে রিপাবলিকানরা ৫০ লাখ ডলার ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২০ সালের জর্জিয়া সিনেট নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে ট্রাম্পের প্রচার কিছু রিপাবলিকান ভোটারকে নিরুৎসাহিত করেছিল বলে তিনি পরে স্বীকার করেন। ২০২২ সালে তাঁর সমর্থন পাওয়া কয়েকজন বিতর্কিত প্রার্থীও হেরে যান। বিশ্লেষকদের মতে, একই ভুল হলে সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালে ট্রাম্পের আইন প্রণয়ন ও রাজনৈতিক কর্মসূচি কঠিন হবে।
ট্রাম্পের প্রার্থী বাছাইয়ে ২০২৬ সালে সিনেট ধরে রাখা নিয়ে রিপাবলিকানদের উদ্বেগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।