দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালী, আনোয়ারা, সাতকানিয়া ও চন্দনাইশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত শঙ্খ নদী নাব্য সংকটে পড়েছে। নদীর বুকে অসংখ্য চর জেগে ওঠায় নৌচলাচল ও মাছ ধরা ব্যাহত হচ্ছে এবং কয়েক হাজার জেলে ও মাঝি জীবিকা সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। নদীর অনেক স্থানে এখন ডিঙি নৌকাও চলতে পারে না; শীত মৌসুমে পানি কমলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়।
একসময় শঙ্খ নদীকেন্দ্রিক যোগাযোগ, বাণিজ্য ও মাছ ধরার ব্যাপক কার্যক্রম ছিল। নদীতীরের ঐতিহ্যবাহী ইশ্বর বাবুরহাটে কুতুবদিয়াসহ আশপাশের এলাকার মানুষ ডিঙি নৌকা ও সাম্পানে বাজার করতে আসতেন। জলদাস পাড়ার গোপাল জলদাস বলেন, নদীটি নানা প্রজাতির মাছের প্রজননক্ষেত্র ছিল এবং হাজার হাজার জেলে পরিবার এর মাছ ধরে জীবিকা চালাত, কিন্তু সেই চিত্র এখন আর নেই।
পুকুরিয়া ইউনিয়নের সদস্য ফরিদ আহমদ বলেন, অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনে নদীতীর ভাঙছে এবং কয়েকটি বসতভিটা বিলীন হয়েছে। তিনি অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, টেকসই বাঁধ ও পরিকল্পিত ড্রেজিং দাবি করেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী অনুপম পাল জানান, পাহাড়ে গাছ কাটার পর বৃষ্টিতে মাটি নদীতে আসায় গভীরতা কমেছে; বিভিন্ন স্থানে ড্রেজিং চলছে এবং কিছু এলাকায় বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে।
চর ও নাব্য সংকটে শঙ্খ নদীতে ব্যাহত নৌচলাচল ও জেলেদের জীবিকা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।