বাংলাদেশের নদীকেন্দ্রিক অর্থনীতি ও পরিবেশ ভারতের উজানের পানি ব্যবস্থাপনার কারণে ক্রমাগত সংকটে পড়ছে। দেশের ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত নদীর মধ্যে ৫৪টি ভারতের সঙ্গে ভাগাভাগি, এবং স্বাধীনতার পর থেকেই পানি বণ্টন নিয়ে বিরোধ চলছে। ফারাক্কা ব্যারাজসহ ভারতের একতরফা প্রকল্পগুলো বাংলাদেশের কৃষি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে, তবে এটি নবায়ন হবে নাকি নতুন চুক্তি হবে, তা অনিশ্চিত। ভারত ফারাক্কা পয়েন্টের প্রবাহের ভিত্তিতে নতুন কাঠামো প্রস্তাব করছে, যা বাংলাদেশের জন্য অন্যায্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তিস্তা নদীর পানিবণ্টনও এখনো অমীমাংসিত। গজলডোবা ব্যারাজের মাধ্যমে ভারতের পানি নিয়ন্ত্রণে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশের তিস্তা প্রায় শুকিয়ে যায়। ২০১১ সালে চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও পশ্চিমবঙ্গের বিরোধিতায় তা বাস্তবায়িত হয়নি। একইভাবে ২০১৯ সালে ফেনী নদীর পানি ভারতের ত্রিপুরা অঞ্চলে সরবরাহের চুক্তি বিতর্ক সৃষ্টি করেছে, কারণ এতে বাংলাদেশের কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
প্রবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ফোরামে ন্যায্য পানিবণ্টনের দাবি আরও জোরালোভাবে তুলতে হবে এবং বৈশ্বিক নীতিমালার পক্ষে সমর্থন গড়ে তুলতে হবে।
গঙ্গা চুক্তি নবায়ন অনিশ্চিত, বাংলাদেশ-ভারত নদী বিরোধ তীব্রতর
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।