কবি ফররুখ আহমদ ১৯ অক্টোবর ১৯৭৪ সালে ঢাকার ইস্কাটন গার্ডেন রোডের সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারের বাসায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর বয়স ছিল ৫৬ বছর। বর্ণনা অনুযায়ী, ২৭ রমজানে তিনি তীব্র জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সংজ্ঞা হারান। খাদ্যগ্রহণের শক্তি না থাকলেও তিনি পরবর্তী রোজাগুলো রাখেন। ঈদের জামাতে অংশ নিতে না পারার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে।
কবি মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান এক আত্মীয়ের বক্তব্য উদ্ধৃত করে জানান, অন্তিম সময়ে ফররুখের বাকশক্তি ও স্মৃতিশক্তি লোপ পেয়েছিল এবং তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। সূত্রে বলা হয়েছে, শেষ কয়েক বছরের তীব্র অর্থাভাবের কারণে তাঁর যথাযথ চিকিৎসা হয়নি। ঈদের সন্ধ্যায় কবি আবদুস সাত্তার তাঁকে হাসপাতালে নিতে ব্যর্থ হন; পরদিন ড. হাসান জামান অধ্যাপক ডা. গোলাম মোয়াজ্জমকে কবির বাসায় নিয়ে আসেন।
মৃত্যুসংবাদ রেডিও ও টেলিভিশনে প্রচারিত হলে কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, সাংবাদিক, আত্মীয় ও গুণগ্রাহীরা তাঁর বাসায় ভিড় করেন। কার্জন হল মসজিদের পাশে দাফনের অনুমতি না মেলায় তাঁকে কবি বেনজীর আহমদের প্রস্তাবিত শাহজাহানপুরের কবরগাহে সমাহিত করা হয়। বিভিন্ন সংবাদপত্রে সম্পাদকীয় ও ফিচার প্রকাশিত হয় এবং বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনে স্মরণানুষ্ঠান প্রচার করা হয়।
দীর্ঘ অসুস্থতার পর ১৯ অক্টোবর ১৯৭৪ ঢাকায় মারা যান কবি ফররুখ আহমদ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।