বাংলাদেশে পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকটে রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলের ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। অনেক পাম্পে সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে, আবার কিছু পাম্পে মজুদ শেষ হয়ে বন্ধ রাখতে হচ্ছে। অথচ দেশেই সিলেট ও হবিগঞ্জের গ্যাসক্ষেত্র থেকে কনডেনসেট প্রক্রিয়াজাত করে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পেট্রোল ও অকটেন উৎপাদন হয়।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে আতঙ্ক থেকে অতিরিক্ত কেনাকাটা ও মজুতের কারণে এই কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, দেশে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং মে মাস পর্যন্ত চাহিদা পূরণে অতিরিক্ত তেল আমদানি করা হচ্ছে। জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, মোটরসাইকেলের জন্য কিউআর কোড, ফুয়েল কার্ড ও বিকল্প দিনে সরবরাহের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দেশীয় উৎপাদন চাহিদার একটি অংশ মেটালেও কনডেনসেট উৎপাদন হ্রাস ও বৈশ্বিক দামের ঊর্ধ্বগতি ভবিষ্যতে ডিজেল, ক্রুড অয়েল ও এলএনজি আমদানিতে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
আতঙ্কে অতিরিক্ত কেনাকাটায় দেশে পেট্রোল-অকটেনের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।