ইরানের বন্দরগুলোতে প্রবেশ ও প্রস্থানকারী সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে নৌ অবরোধ শুরু করেছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, জিএমটি সময় ১৪:০০ থেকে এই অবরোধ কার্যকর হয়েছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররাও সমালোচনা করেছে। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সামরিক বাহিনী অবরোধ বজায় রাখতে প্রস্তুত, তবে লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কোনো কার্যপ্রণালী নির্ধারণ করা হয়নি।
ইরান এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবৈধ ও জলদস্যুতা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সতর্ক করেছে, হরমুজ প্রণালির কাছে কোনো যুদ্ধজাহাজ এলে তা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে। বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালিতে নতুন অবরোধ বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপে মিত্র দেশগুলোর সমর্থন সীমিত। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন, ব্রিটেন এই অবরোধকে সমর্থন করে না। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেইন বলেছেন, নৌ চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইরানি বন্দর অবরোধে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপে বৈশ্বিক সমালোচনা ও মিত্রদের আপত্তি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।