যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষিতে ইরান হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণে নতুন শর্ত ঘোষণা করেছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও এলএনজি পরিবহনের এই গুরুত্বপূর্ণ পথটি ইরানের পাল্টা হামলার পর বন্ধ হয়ে যায়। নতুন প্রোটোকলে ইরান একটি সংশোধিত নৌপথ মানচিত্র প্রকাশ করেছে, যা জাহাজগুলোকে ওমান উপকূলের পরিবর্তে ইরানের উপকূলের কাছাকাছি পরিচালিত করবে। যুদ্ধবিরতির সময় টোল আদায় করা হচ্ছে কি না তা স্পষ্ট নয়। শুক্রবার ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনার কথা রয়েছে।
ইরানের দশ দফা শান্তি পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা বন্ধ, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজে ইরানের নিয়ন্ত্রণ স্বীকৃতির দাবি রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান প্রতিটি জাহাজ থেকে সর্বোচ্চ দুই মিলিয়ন ডলার বা প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য এক ডলার পর্যন্ত টোল নিতে পারে, যদিও ওমান এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। সমালোচকরা বলছেন, এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের লঙ্ঘন।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের অব্যাহত নিয়ন্ত্রণ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং উপসাগরীয় দেশ ও পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক আরও জটিল করতে পারে।
হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণে ইরানের নতুন পরিকল্পনা বৈশ্বিক জ্বালানি ও আইনি উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।