গাজীপুর-এয়ারপোর্ট বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পটি দীর্ঘ বিলম্ব, ভুল পরিকল্পনা ও দুর্নীতির অভিযোগে সরকারের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১২ সালে ‘গ্রেটার ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট’-এর আওতায় ২০ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয় দ্রুত, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে। কিন্তু ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি ব্যয় সত্ত্বেও প্রকল্পটি এখনো অসম্পূর্ণ, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে কার্যক্রম স্থগিত করে সাধারণ সড়ক হিসেবে খুলে দেওয়া হয়েছে। নকশাগত দুর্বলতা ও অপচয়ের কারণে একনেক প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব বাতিল করেছে।
বিশেষজ্ঞ ও সাবেক কর্মকর্তারা একে দুর্নীতি ও পরিকল্পনাহীনতার ভয়াবহ উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মধ্যপ্রাচ্যের প্রকল্পের নকশা নকল করে বাস্তবায়নের অভিযোগও উঠেছে। অনিয়ম ও নকশাগত ত্রুটি অনুসন্ধানে একটি বিশেষ কমিটি কাজ করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বর্তমান সরকার কমিটির প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখেছে।
তীব্র সমালোচনার মধ্যেও কিছু কর্মকর্তা আশা প্রকাশ করেছেন, ত্রুটি সমাধান হলে প্রকল্পটি এখনো কার্যকর গণপরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
ত্রুটি ও দুর্নীতির অভিযোগে গাজীপুর-এয়ারপোর্ট বিআরটি প্রকল্প স্থবির
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।