যশোরের চাঁচড়ার ঐতিহাসিক শ্রীশ্রী দশমহাবিদ্যা মন্দিরসংশ্লিষ্ট ইসকনের সদস্যরা ১৭ বছর বয়সি শিপ্রা ঘোষের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হওয়ার পর আত্মগোপনে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর শিপ্রার ভাই পাপন ঘোষ মন্দিরের অধ্যক্ষ অনুপম রায় ওরফে অপার গোবিন্দ দাসসহ আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। পরিবারের অভিযোগ, যৌন হয়রানি, অশালীন আচরণ ও শিপ্রার মাকে মারধরের ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে শিপ্রা আত্মহত্যা করে।
স্থানীয় হিন্দুদের দাবি, ২০১৬ সালে সংস্কার ও পূজা-অর্চনায় সহযোগিতার জন্য ইসকনকে যুক্ত করা হলেও পরে তারা মন্দিরের নিয়ন্ত্রণ বাড়ায়। কমিটির সভাপতি বিশ্বনাথ দত্ত বলেন, ইসকনের কার্যক্রম চত্বরের একাংশে সীমিত থাকার এবং মূল কাজে হস্তক্ষেপ না করার শর্ত ছিল। তাঁর অভিযোগ, সেই শর্ত মানা হয়নি। তবে ইসকনের সংশ্লিষ্টরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
আদালত থানায় মামলা হয়েছে কি না জানিয়ে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন, কিন্তু এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে। রাইটস যশোরও ঘটনাটি তদন্ত করছে। মন্দিরে অপরিচিত কয়েকজন সাধুর উপস্থিতিতে বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
যশোরে কিশোরী মৃত্যুর মামলায় ইসকন-সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তরা এখনো গ্রেপ্তার হয়নি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।