চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের বিভিন্ন এলাকার বহু বিদ্যালয় ও মাদরাসা থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি। ১১ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে কিশোরগঞ্জ, নওগাঁ, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পাবনা, টাঙ্গাইল, সাতক্ষীরা, রাজবাড়ী ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলার এমন প্রতিষ্ঠানের তথ্য উঠে এসেছে। ফলাফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে এবং শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরকারি আইনি পদক্ষেপের দাবি উঠেছে।
কিশোরগঞ্জের জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের পাঁচ পরীক্ষার্থীই ফেল করেছে, যদিও সেখানে আটজন শিক্ষক রয়েছেন। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৮টি বিদ্যালয়ে কেউ পাস করেনি বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচ বিদ্যালয়ের ২৪ পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হন। পাবনার মাগুড়া দাখিল মাদরাসার ১৯ জন, রাজবাড়ীর জালদিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সাতজন এবং সন্দ্বীপের উড়ির চর জুনিয়র হাইস্কুলের ১০ জন পরীক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হয়নি।
কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অনিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের কম উপস্থিতি, শিক্ষক সংকট বা বেতন না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সন্দ্বীপের বিদ্যালয়টিতে আট শিক্ষক দুই বছর বেতন পাননি এবং তিনজন স্কুলে যাওয়া বন্ধ করেছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। কিশোরগঞ্জে বিদ্যালয় পরিদর্শন ও কর্তৃপক্ষকে শোকজের কথা জানিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। টাঙ্গাইলে শূন্য পাসের দুই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের প্রতিবেদন আগে দেওয়া হয়েছিল বলে কর্মকর্তা জানান। রাজবাড়ী ও সন্দ্বীপের কর্মকর্তারাও নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা ও তদন্তের কথা বলেছেন।
এসএসসি ও সমমানের ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস; কর্তৃপক্ষ তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।