দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতাকর্মীরা নাশকতা ঘটাতে পারে—এমন গোয়েন্দা আশঙ্কার ভিত্তিতে দেশজুড়ে পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আগামী ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। সারা দেশে ৩২ হাজার ৯৫টি, ঢাকায় ২৫৮টিসহ পূজামণ্ডপ স্থাপনের কথা রয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া পুলিশ সদস্যদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
নির্দেশনায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্তমান বা সাবেক পদধারী নেতাকর্মীদের পূজামণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নিয়োগ না দিতে বলা হয়েছে। তাদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা, এনটিএমসি ও বিটিআরসির সমন্বয়ে বিশেষ সেল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র অনুযায়ী, ৪ হাজার ৬২৬টি মণ্ডপকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে সিসিটিভি, জেনারেটর, পরিচয়পত্রধারী স্বেচ্ছাসেবক ও নিরাপত্তাব্যবস্থার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিরোধপূর্ণ স্থান, মসজিদ বা মাদরাসার পাশে নতুন মণ্ডপের অনুমতি না দিতে বলা হয়েছে। মসজিদের পাশে থাকা স্থায়ী মণ্ডপে নামাজের সময় গান-বাজনা বন্ধ রাখতে হবে এবং রাত ৮টার মধ্যে প্রতিমা বিসর্জনের নির্দেশ রয়েছে।
নাশকতার আশঙ্কায় দুর্গাপূজায় দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা নির্দেশনা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।