নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে দুই ক্যাম্পাস সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৩টায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হল ও পকেট গেট-সংলগ্ন এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। হেনস্তার শিকার মানবজমিনের প্রতিনিধি মাহী ছিদ্দীকী সিয়াম এবং প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিনিধি মেহেদী হাসান।
অভিযোগ অনুযায়ী, ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী সাংবাদিকদের ধাক্কা ও আঘাত করেন, মোবাইল ফোন কেড়ে নেন এবং ধারণ করা ভিডিও মুছে ফেলেন। সিয়াম বলেন, তাঁকে ফোন আনলক করতে বাধ্য করে ভিডিও ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাপ পরীক্ষা করা হয়। মেহেদী হাসানও অভিযোগ করেন, ফাইসাল হোসাইন তাঁদের ফোন নিয়ে ভিডিও ধারণ বন্ধ করতে বলেন এবং দুজনকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেন।
সাংবাদিকেরা সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন। নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছে। ছাত্রদল শাখার সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান। প্রক্টর এ এফ এম আরিফুর রহমান বলেন, আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রক্টরিয়াল বডির সভা ডাকা হচ্ছে।
নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের সংঘর্ষ কাভার করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।