রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভের মন্তব্য উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেছেন, চলমান যুদ্ধ বন্ধে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার মূল বিষয় হতে পারে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া। এতে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে যে আলোচনার ফলাফল কেবল সীমিত উত্তেজনা প্রশমনে সীমাবদ্ধ থাকবে এবং তেহরানের প্রভাব অটুট থাকবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইসলামাবাদে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার আলোচনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নয়, বরং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও হরমুজে নিয়ন্ত্রণই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হবে।
উপসাগরীয় কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, এই পদ্ধতি ইরানের প্রভাব কমানোর বদলে তা আরও স্থায়ী করে তুলতে পারে। তারা বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও জ্বালানি ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়ছে। সূত্রগুলো জানায়, ইরান-আমেরিকা কূটনীতি এখন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রায় বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে এবং হরমুজে তেহরানের প্রভাব নীরবে মেনে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
ইরান ‘শূন্য সমৃদ্ধকরণ’ প্রস্তাব ও মজুত বিদেশে পাঠানোর দাবি প্রত্যাখ্যান করায় আলোচনায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, যা উপসাগরীয় দেশগুলোর উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় হরমুজে তেহরানের নিয়ন্ত্রণ স্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।