নরেন্দ্র মোদি এক দশকেরও বেশি আগে কংগ্রেসমুক্ত ভারত গড়ার আহ্বান জানানোর পর দেশটির রাজনীতি এখন তার পক্ষে দৃঢ়ভাবে ঝুঁকেছে। স্বাধীন ভারতের প্রতিষ্ঠাতা দল কংগ্রেস এখন মাত্র চারটি রাজ্যে ক্ষমতায়, যেখানে মোদির নেতৃত্বাধীন জোট ২১টি রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করছে। সাম্প্রতিক নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তামিলনাড়ুর এম কে স্ট্যালিন পরাজিত হওয়ায় মোদির সামনে কার্যত কোনো শক্তিশালী বিরোধী নেই।
বিশ্লেষক ও সমালোচকেরা বলছেন, বিজেপির অধীনে ভারত একদলীয় রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে, যা জওহরলাল নেহরুর বহুত্ববাদী ভারতের ধারণার বিপরীত। বিজেপির সংগঠিত কাঠামো, জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি ও স্থানীয় ইস্যুতে মনোযোগ তাদের ধারাবাহিক জয় নিশ্চিত করেছে। তবে ভোটার তালিকা সংশোধন ও ভোট কারচুপির অভিযোগও উঠেছে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে সংখ্যালঘুদের ভোটাধিকার নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করেন, মোদির আধিপত্যে বিরোধী জোট দুর্বল হয়ে পড়েছে। ২০২৯ সালের জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে প্রশ্ন রয়ে গেছে, মোদি আবার প্রার্থী হবেন কি না বা তার উত্তরসূরি কে হবেন।
বিরোধীদের পতনে মোদির ক্ষমতা আরও দৃঢ়, ভারতে একদলীয় শাসনের আশঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।