আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, কিছু স্থানে অভিযোগ রয়েছে যে কোনো কোনো বিচারক মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা আদালত করেন। তিনি বলেন, তাঁরা বেলা ১১টায় আসেন এবং দুপুর দেড়টা থেকে দুইটার মধ্যে কাজ শেষ করে চলে যান। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার সিএমএম কোর্টে ই-পরিবারিক আপিল আদালতের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তরুণ বিচারকদের প্রশংসা করে আইনমন্ত্রী বলেন, ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রকে মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসার জায়গায় পরিণত করতে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। তাঁর মতে, বর্তমান সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ হলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই এবং ডিজিটাল খাত। এআই মোকাবিলায় ডিজিটাল খাতে আরও দক্ষ হতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তরুণ বিচারকেরা এ চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করবেন এবং এআইকে সামনে এগিয়ে নেবেন।
আইনমন্ত্রী জানান, দেশে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন থাকায় বিচারকদের ওপর অমানবিক চাপ পড়ছে। এই চাপ কমাতে কাজ চলছে বলে তিনি বলেন। ই-বেইল বন্ড চালু হয়েছে এবং জনগণ এর সুফল পেতে শুরু করেছে। ডিজিটাল সাক্ষ্য ও ডিজিটাল হাজিরা-সংক্রান্ত আইনের কথাও তিনি উল্লেখ করেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কিছু আসামির জন্য ইতিমধ্যে ডিজিটাল হাজিরার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ই-পরিবারিক আপিল আদালত উদ্বোধনে স্বল্প আদালত সময়ের অভিযোগ তুললেন আইনমন্ত্রী
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।