মানবাধিকার সংস্থা অধিকার জানিয়েছে, চলতি বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের হামলায় চার বাংলাদেশি নাগরিক নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছেন। শনিবার প্রকাশিত সংস্থাটির ত্রৈমাসিক মানবাধিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, একই সময়ে ভারতের ভেতর থেকে ২৯ জন বাংলাভাষী মানুষকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। কুলাউড়া, চুনারুঘাটের চিমটিবিল, পীরগঞ্জ ও ফেনী সীমান্তে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অধিকারের ভাষ্য অনুযায়ী, সীমান্তে বিএসএফের গুলিবর্ষণ ও সহিংসতায় বাংলাদেশিদের প্রাণহানি অব্যাহত রয়েছে। প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া ও সিমেন্টের খুঁটি নির্মাণের চেষ্টা এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে গুলি ছুড়ে বালু ও পাথর উত্তোলনে ব্যবহৃত চারটি নৌকা ছিনতাইয়ের অভিযোগও করা হয়েছে। নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ ২৯ জনকে ঠেলে দেওয়ার ঘটনাকে সংস্থাটি অপ্রত্যাবর্তন নীতির পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছে।
প্রতিবেদনে রাজনৈতিক সহিংসতায় ২৭ জন নিহত ও ১,০৯০ জন আহত, ২২৩ জন নারী ও কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হুমকির তথ্যও দেওয়া হয়েছে। অধিকার মানবাধিকার কমিশন আইন সংশোধন, গুমের তদন্ত, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নির্যাতন বন্ধ, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপের সুপারিশ করেছে।
জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরে বিএসএফের হামলায় চার বাংলাদেশি নিহতের তথ্য অধিকার প্রতিবেদনে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।