মাইকেল জ্যাকসনের জীবনভিত্তিক বড় বাজেটের চলচ্চিত্র ‘মাইকেল’ সমালোচকদের নেতিবাচক রিভিউ ও জটিল প্রযোজনা প্রক্রিয়া সত্ত্বেও বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। উত্তর আমেরিকায় মুক্তির প্রথম সপ্তাহে ছবিটি আয় করেছে ৯৭ মিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বব্যাপী মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২১৭ মিলিয়ন ডলার, যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয় করা বায়োপিকের রেকর্ড। জ্যাকসনের ভাগ্নে জাফার জ্যাকসন অভিনীত এই ছবিটি আন্তর্জাতিক বাজারে ১২০.৪ মিলিয়ন ডলার আয় করে ‘ওপেনহেইমার’ ও ‘বোহেমিয়ান র্যাপসোডি’র রেকর্ড ভেঙেছে।
সমালোচকদের একাংশ অভিযোগ করেছেন, ছবিটি জ্যাকসনের জীবনের বিতর্কিত দিকগুলো যথাযথভাবে তুলে ধরেনি। রোটেন টমেটোসে সমালোচক স্কোর ৩৮% হলেও দর্শকদের রেটিং ৯৭%। প্রযোজনার সময় আইনি জটিলতায় জর্ডান চ্যান্ডলার সংক্রান্ত অংশ বাদ দিতে হয়, যার ফলে প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে পুনরায় শুটিং করা হয় এবং গল্পটি ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত সীমাবদ্ধ করা হয়। পরিবারের কিছু সদস্যের বিরোধিতা সত্ত্বেও ছবিটি বিশাল সাফল্য পেয়েছে।
ইউনিভার্সাল আন্তর্জাতিকভাবে ছবিটি পরিবেশন করছে এবং প্রযোজকরা ইতোমধ্যে সিক্যুয়েল তৈরির পরিকল্পনা জানিয়েছেন। জাপানে ছবিটি জুন মাসে মুক্তি পাবে, যেখানে জ্যাকসনের বিপুল ভক্তগোষ্ঠী রয়েছে।
সমালোচনা সত্ত্বেও রেকর্ড আয় করল মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক ‘মাইকেল’
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।