পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের ২৭ সেপ্টেম্বরের ইসলামাবাদমুখী লংমার্চকে কেন্দ্র করে ইসলামাবাদ ও পাঞ্জাবের কয়েকটি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ইসলামাবাদ ও পাঞ্জাবের বিভিন্ন জেলায় পাকিস্তান রেঞ্জার্স মোতায়েনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাঞ্জাব সরকার ২৭ সেপ্টেম্বর রাওয়ালপিন্ডি ও অ্যাটকের নির্দিষ্ট এলাকায় মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবা সীমিত বা বন্ধের অনুরোধও জানিয়েছে।
কর্মসূচি স্থগিত হতে পারে কি না, তা নিয়ে পিটিআইয়ের মধ্যে ভিন্ন বক্তব্য দেখা গেছে। নেতা নাইম হায়দার পানজুথা বলেন, সরকার ছয় থেকে আট মাসের মধ্যে অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন, ইমরান খানসহ সব রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি এবং ৯ মে ও ২৬ নভেম্বরের ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নিশ্চয়তা দিলে মার্চ পেছানো হতে পারে। তিনি চলতি অর্থবছর শেষের আগেই নির্বাচনের সুস্পষ্ট নিশ্চয়তা চেয়েছেন।
তবে দলের মুখপাত্র শেখ ওয়াকাস আকরাম বলেন, মার্চ স্থগিতের কোনো প্রস্তাব দলের কোনো ফোরামে আলোচনা হচ্ছে না এবং কর্মসূচি নির্ধারিত সময়েই হবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সরকার ইতিবাচক সাড়া না দেওয়ায় আগের শর্তগুলো প্রত্যাহার করা হয়েছিল। তিনি বলেন, স্থগিতের সিদ্ধান্তের ক্ষমতা শুধু ইমরান খানের। বিরোধী নেতারাও বৈঠকে খাইবার পাখতুনখোয়ার পরিস্থিতি, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ও মার্চের কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন।
ইসলামাবাদ মার্চ ঘিরে রেঞ্জার্স মোতায়েন, স্থগিতের প্রশ্নে পিটিআই নেতাদের ভিন্ন বক্তব্য
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।