বায়োমেডিকেল রিসার্চ ফাউন্ডেশনের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০১৩ সালের ৬ মে ঢাকার শাপলা চত্বরে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে সরকারি বাহিনীর অভিযানে নিহতদের ৮০ শতাংশই সাধারণ নাগরিক ছিলেন, মাদরাসা শিক্ষার্থী নন। ২০২৬ সালের ৬ জানুয়ারি প্রকাশিত “শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড (২০১৩): বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি দৃষ্টান্ত” শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের গড় বয়স ছিল ২৯ বছর এবং প্রায় ৮৫ শতাংশ মৃত্যু গুলির আঘাতে ঘটে।
গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন মোহাম্মাদ সরোয়ার হোসেন, মুনাইম খান, সাদীদ হোসেন ও এস এম ইয়াসির আরাফাত। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রায় ৭৫০০ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাত্র ২০ মিনিটে প্রায় ৫০ হাজার প্রতিবাদকারীকে ছত্রভঙ্গ করে। হামলায় তাজা গুলি, টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা ৯৩ থেকে ৩২৭ জনের মধ্যে হতে পারে। গবেষণাটি প্রচলিত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে যে শাপলা আন্দোলন কেবল মাদরাসাকেন্দ্রিক ছিল।
গবেষকরা উপসংহারে বলেছেন, এই হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের অধীনে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তারা পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও ফরেনসিক প্রমাণ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, ২০১৩ সালের শাপলা অভিযানে নিহতদের বেশিরভাগই সাধারণ নাগরিক
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।