যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ক্ষয়ক্ষতি সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে ইরান। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) ছোট ও দ্রুতগামী নৌযান নিয়ে গঠিত ‘মশা নৌবহর’ ব্যবহার করে মার্কিন বাহিনীকে চাপে রাখছে। এই নৌযানগুলো উপকূলের গোপন ঘাঁটি থেকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে সক্ষম। শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, প্রণালিটি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও শান্তিচুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ বহাল থাকবে বলে জানান।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আইআরজিসি নৌবাহিনী গেরিলা কৌশলে পরিচালিত হয় এবং অতর্কিত হামলার ওপর নির্ভর করে। ছোট নৌযানগুলো স্যাটেলাইটে শনাক্ত করা কঠিন এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে মোতায়েন করা যায়। প্রায় ৫০ হাজার সদস্য নিয়ে গঠিত এই বাহিনী উপসাগর বরাবর পাঁচটি সেক্টরে বিভক্ত এবং অন্তত দশটি গোপন ঘাঁটি পরিচালনা করে।
বিশ্লেষকেরা সতর্ক করেছেন, এই ছোট ও দ্রুতগামী নৌকা, ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য বড় হুমকি হিসেবে রয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল হামলার পরও হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ‘মশা নৌবহর’ সক্রিয়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।