গামা-রে বার্স্টসহ উচ্চশক্তির জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা পর্যবেক্ষণকারী নাসার নীল গেহরেলস সুইফট অবজারভেটরি কক্ষপথ ক্ষয়ের প্রভাবে নিচে নামছে। ৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক তীব্র সৌর কার্যকলাপে পৃথিবীর ঊর্ধ্ব বায়ুমণ্ডল কিছুটা প্রসারিত হওয়ায় অতিরিক্ত ঘর্ষণ তৈরি হয়েছে। নাসার বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, এই ধারা চললে ২০২৬ সালের শেষার্ধে টেলিস্কোপটি বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশ করতে পারে।
সুইফটকে রক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম চালু রাখতে নাসা প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলারের বিশেষ কক্ষপথ-উন্নয়ন মিশন শুরু করেছে। মিশনের জন্য ক্যাটালিস্ট স্পেস টেকনোলজিস নির্মিত ‘লিংক’ মহাকাশযান ৩ জুলাই মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। তিনটি রোবোটিক হাতযুক্ত যানটি ধাপে ধাপে সুইফটের দিকে এগোচ্ছে এবং প্রায় এক মাসের মধ্যে কাছাকাছি কক্ষপথে পৌঁছানোর কথা।
পৌঁছানোর পর লিংকের সৌর প্যানেল ও অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হবে। পরে সুইফটের গতিবিধি, অবস্থান ও ঘূর্ণন বিশ্লেষণ করে রোবোটিক হাত দিয়ে সেটিকে ধরার চেষ্টা হবে। নিয়ন্ত্রিত থ্রাস্টে টেলিস্কোপটির কক্ষপথ উঁচু করা হবে। ২০০৪ সালে উৎক্ষেপিত সুইফট দুই দশক ধরে গামা-রে বার্স্ট পর্যবেক্ষণ করছে।
কক্ষপথ ক্ষয় ঠেকাতে সুইফট টেলিস্কোপের জন্য রোবোটিক অরবিট-বুস্ট মিশন চালাচ্ছে নাসা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।