স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আর্ক ইনস্টিটিউটের গবেষকেরা জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে নতুন ভাইরাসের জিনোম নকশা করেছেন, যা পরীক্ষাগারে কার্যকর ব্যাকটেরিওফাজ হিসেবে কাজ করেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ২৪ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, এআই-নকশাকৃত ভাইরাসগুলো Escherichia coli বা E. coli ব্যাকটেরিয়াকে সংক্রমিত করে তাদের সংখ্যা কমাতে পেরেছে। এতে এআইয়ের ব্যবহার লেখা, ছবি ও সফটওয়্যার তৈরির বাইরে জীববৈজ্ঞানিক নকশায় বিস্তৃত হওয়ার দৃষ্টান্ত মিলেছে।
গবেষণায় Evo জিনোম-ভাষা মডেল সিরিজ ব্যবহার করা হয় এবং ব্যাকটেরিওফাজ ΦX174-কে জৈবিক রেফারেন্স ধরা হয়। প্রাকৃতিক ভাইরাসের হুবহু অনুলিপি নয়, কার্যকর জিনোম কাঠামো অনুসরণ করে নতুন সিকোয়েন্স তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরীক্ষার জন্য প্রায় ৩০০টি নকশা নেওয়া হয়, যার মধ্যে ১৬টি কার্যকর ব্যাকটেরিওফাজে পরিণত হয়। মানুষের শরীরে সংক্রমণ ঘটাতে পারে এমন ভাইরাসের জিনোম প্রশিক্ষণ তথ্য থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
কার্যকর নকশার সংখ্যা সীমিত হওয়ায় গবেষণাটি এখনো ধারণাটির বাস্তব কার্যকারিতার প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত। অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে ফাজ থেরাপিতে এর সম্ভাবনা রয়েছে, তবে নিরাপত্তা, কার্যকারিতা, রোগীভিত্তিক ফাজ নির্বাচন ও নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা জিনোম নকশার সক্ষমতার সঙ্গে নিরাপত্তা, নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা উন্নত করার প্রয়োজনের কথা বলেছেন।
এআই নকশার ১৬টি ভাইরাস E. coli ব্যাকটেরিয়াকে সংক্রমিত ও কমাতে পেরেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।