আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ রোববার স্বেচ্ছায় অবসর নেওয়া সেনা কর্মকর্তা মেজর খোন্দকার মোহাম্মদ সাজ্জাদুল ইসলাম জবানবন্দি দিয়েছেন যে, ২০১১ সালের ১১ জুলাই র্যাবে যোগদানের প্রথম রাতে তিনি একটি অভিযানে বন্দী হত্যার ঘটনা দেখেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, টঙ্গীর আহসানুল্লাহ মাস্টার ফ্লাইওভার পার হয়ে একটি ব্রিজে গাড়ি থামানোর পর চোখ ও হাত বাঁধা এক বন্দীকে নামানো হয়। এরপর জিয়াউল আহসান বন্দীর মাথা ব্রিজের রেলিংয়ে ঠেকিয়ে পেছন থেকে গুলি করে নিচে ফেলে দেন।
আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামলে শতাধিক মানুষকে গুম, নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তিনি ষষ্ঠ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। সাজ্জাদ বলেন, ২০১১ সালের ৫ জুলাই সরকারি আদেশে তাঁকে র্যাবে বদলি করা হয় এবং র্যাব-৩-এর কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল রফিকুল ইসলাম তাঁকে ওই রাতের অভিযানে যেতে বলেন। তিনি জানান, এটি জিয়াউল আহসানের নির্দেশ ছিল।
সাজ্জাদের বক্তব্যে, গাড়িবহরটি পরে আরও দুই জায়গায় থামে এবং দ্বিতীয় স্থানে তাঁকে তথাকথিত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে অংশ নিতে বলা হয়। তিনি প্রশ্ন করায় জিয়াউল আহসান তাঁকে গালিগালাজ করে গাড়িতে বসতে বলেন। পরদিন তাঁকে সেনাবাহিনীতে বদলি করা হয়। কয়েক দিনের মধ্যে গাজীপুরের জয়দেবপুর এলাকায় গুলিবিদ্ধ তিনটি লাশ পাওয়ার সংবাদ প্রকাশিত হয় বলেও তিনি বলেন।
ট্রাইব্যুনালে সাবেক মেজরের জবানবন্দিতে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।