একজন বাংলাদেশি সাংবাদিক ও কলামিস্ট জুলাই বিপ্লবের পর ফ্যাসিবাদের সংজ্ঞা নিয়ে কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিকের বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন। লেখকের দাবি, একটি টেলিভিশন টকশোতে একজন সাংবাদিক বলেছেন, অন্য দেশ দখলের চেষ্টা না থাকলে আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিস্ট বলা যায় না। নিবন্ধে এই ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করে ফ্যাসিবাদকে সর্বময় ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার চিন্তাধারা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যেখানে রাষ্ট্র ও একনায়ক এক হয়ে যায়।
লেখাটি গুগলের ফ্যাসিবাদ-বিষয়ক বর্ণনা উদ্ধৃত করে উগ্র জাতীয়তাবাদ, একনায়কতন্ত্র, বিরোধিতা দমন এবং সহিংসতা ও সামরিক শক্তিকে এর বৈশিষ্ট্য হিসেবে উল্লেখ করেছে। লেখকের বক্তব্য, অন্য দেশ দখল ফ্যাসিবাদের আবশ্যিক সংজ্ঞাগত শর্ত নয়। তাঁর অভিযোগ, কিছু সাংবাদিক জুলাই বিপ্লবকে অপ্রাসঙ্গিক করতে ফ্যাসিবাদের নতুন সংজ্ঞা দাঁড় করাতে চাইছেন।
কলামটিতে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আব্দুন নূর তুষারসহ অন্যদেরও সমালোচনা করা হয়েছে ওসমান হাদি, সাংস্কৃতিক বিতর্ক এবং হাদির কবর নিয়ে মন্তব্যের প্রসঙ্গে। লেখক নজরুল ও আল মাহমুদকে ঘিরে নির্বাচিতভাবে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। এগুলো লেখকের নিজস্ব মত ও অভিযোগ; উল্লিখিত ব্যক্তিদের কোনো প্রতিক্রিয়া উৎসে দেওয়া হয়নি।
ফ্যাসিবাদের সংজ্ঞা ও সাংস্কৃতিক বিতর্কে সিনিয়র সাংবাদিকদের সমালোচনা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।