রিউমর স্ক্যানার জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ দুদক সামনে আনার কয়েক মাস আগেই আওয়ামীপন্থী ফেসবুক পেজে ছড়ানো হয়েছিল। ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানটির মতে, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারির পোস্টগুলোতে দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে অর্থ পাচারের যে দেশভিত্তিক অঙ্ক দেওয়া হয়েছিল, তা পরে দুদকের অভিযোগেও দেখা যায়।
রিউমর স্ক্যানার বলেছে, ‘দৈনিক আজকের কণ্ঠ’ পেজে প্রকাশিত আগের কথিত প্রতিবেদনগুলোতে গুরুতর অভিযোগ থাকলেও যাচাইযোগ্য নথি, নির্দিষ্ট সূত্র, তদন্তের তথ্য বা প্রমাণ ছিল না। চ্যাটজিপিটি ও একাধিক এআই টুল লেখাগুলোকে এআই-জেনারেটেড বা এআই-সহায়তায় তৈরি হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনাময় বলে মূল্যায়ন করেছে। অস্পষ্ট সূত্র, অতিনাটকীয় ভাষা এবং প্রমাণহীন বহু অভিযোগ একসঙ্গে সাজানোর বিষয়টি এ মূল্যায়নের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম রিউমর স্ক্যানারকে বলেন, অভিযোগ গোপনীয় এবং জনসংযোগ বিভাগকে লিখিত বক্তব্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে বলা হয়েছিল। আসিফ মাহমুদ অভিযোগটিকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদনের হুবহু পুনরাবৃত্তি বলে দাবি করেন। রিউমর স্ক্যানার আরও জানায়, তাঁকে গ্রেপ্তারের দাবি মিথ্যা; এ দাবিতে ব্যবহৃত একটি ছবি এআই-নির্মিত এবং ছড়ানো একটি ভিডিও ২০২২ সালের।
দুদকের অভিযোগের অঙ্ক আগের এআই-সংশ্লিষ্ট দাবির সঙ্গে মিলেছে বলে জানিয়েছে রিউমর স্ক্যানার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।