নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গ্রেনেট বাবুকে কেন সাময়িক বহিষ্কার করা হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। ১৬ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি খাসজমি অবৈধ দখল, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ব্যক্তিস্বার্থে ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি অর্থ ব্যবহারের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি-১ শাখার উপসচিব জিয়াউর রহমান নোটিশে স্বাক্ষর করেন। নোটিশে অভিযোগগুলোর কারণে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ৩৪(৪)(খ) ও ৩৪(৪) ধারায় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
নোটিশ পাওয়ার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে নীলফামারীর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে জবাব পাঠাতে বলা হয়েছে। এর আগে ২৩ মে দৈনিক আমার দেশ অনলাইনে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে খাসজমি দখল নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরে জেলা প্রশাসক গঠিত পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি সরেজমিন তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দেয় এবং অভিযোগের সত্যতা পায় বলে নোটিশে উল্লেখ রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান নোটিশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কিশোরগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেনেট বাবুকে সাময়িক বহিষ্কারের কারণ দর্শানোর নোটিশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।