ইসলামাবাদমুখী লংমার্চ নিয়ে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের মধ্যে মতপার্থক্য ও কৌশলগত অনিশ্চয়তা বাড়ছে। আগস্টে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে কর্মসূচি শুরুর ঘোষণা দিলেও তা ৪ অক্টোবর আয়োজনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই সময় পরিবর্তন পিটিআইয়ের রাজনৈতিক হিসাব, নেতৃত্বের সমন্বয় এবং সম্ভাব্য সংলাপের প্রশ্ন সামনে এনেছে।
খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদি দলীয় নেতৃত্বের পূর্ণ ঐকমত্যের আগেই মার্চের তারিখ ঘোষণা করেছিলেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। দলের এক অংশ যেকোনো পরিস্থিতিতে মার্চের পক্ষে, আরেক অংশ আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সুযোগ এখনো আছে বলে মনে করছে। পিটিআই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলটির প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের মুক্তিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দাবি সামনে আনতে চেয়েছিল।
কেন্দ্রীয় সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্মসূচিকে ঘিরে প্রস্তুতি নিয়েছে এবং রাওয়ালপিন্ডি ও ইসলামাবাদে বিপুল নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের কথা জানিয়েছে। ইসলামাবাদ হাইকোর্ট রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নাগরিকদের চলাচল, শিক্ষা, চিকিৎসাসেবা ও অন্যান্য মৌলিক অধিকার বাধাগ্রস্ত না করার নির্দেশনা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্চ বাস্তবায়নের পরিসর ও প্রত্যাশার ব্যবধান ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
পিটিআইয়ের ইসলামাবাদ লংমার্চে অভ্যন্তরীণ বিভক্তি, সম্ভাব্য বিলম্ব ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।