ভারতে সরকারি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপির আন্দোলন সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় শিক্ষার্থী বিক্ষোভে পরিণত হয়েছে। শিক্ষা সংস্কার ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে হাজার হাজার শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমেছে। গত সোমবার ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে সংসদ অভিমুখে মিছিল হলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। এরপরও প্রতিদিন আরও শিক্ষার্থী রাজপথে ফিরছে।
আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে পরিবেশকর্মী ও সংস্কারক সোনাম ওয়াংচুক ২৬ দিন অনশন করেন এবং জানান, এতে তাঁর ১১ কেজি ওজন কমেছে। তিনি গত বৃহস্পতিবার রাতে অনশন ভাঙলেও ছাত্রনেতারা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। গবেষকরা বলছেন, পরীক্ষা ও শিক্ষা জাত, শ্রেণি ও লিঙ্গের বিভাজন অতিক্রম করে বড় জনগোষ্ঠীকে যুক্ত করেছে; তাই এটি আদর্শভিত্তিক আগের আন্দোলনগুলোর চেয়ে ভিন্ন চ্যালেঞ্জ।
রাহুল ভার্মার মতে, সোমবারের সমাবেশ আন্দোলনটির সম্ভাব্য মোড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয় এবং পরবর্তী গতিপথ সরকারের প্রতিক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বিরোধীদের ছাত্রদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ করে সংসদের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে: কেউ দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক প্রভাব দেখছেন, কেউ এটিকে ক্ষোভ প্রকাশের সাময়িক ক্ষেত্র বলে মনে করছেন।
প্রশ্নফাঁসকেন্দ্রিক সিজেপি আন্দোলন ভারতের শিক্ষা ও জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন চাপ তৈরি করেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।